• সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ২৪ ফাল্গুন ১৪২৭  নিউইয়র্ক সময়: ১৩:০৮    ঢাকা সময়: ২৩:০৮

এটিএম শামসুজ্জামানের শারীরিক অবস্থার উন্নতি

দেশকণ্ঠ প্রতিবেদন : একুশে পদক বিজয়ী রূপালি পর্দার কিংবদন্তি অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তার পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
 
এর আগে বুধবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে পুরান ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি হন এ অভিনেতা। ডা. আতাউর রহমান খানের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে।
 
তার মেয়ে কোয়েল আহমেদ এবং স্ত্রী রানী জামান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এটিএম শামসুজ্জামান গত কয়েকদিন ধরে অন্যান্য স্বাস্থ্য জটিলতার পাশাপাশি শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়েছিল এবং সময়মতো হাসপাতালে ভর্তি করা না হলে খারাপ কিছু হতে পারতো। 
 
তবে বৃহস্পতিবার তার সামগ্রিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় অক্সিজেনের স্যাচুরেশন মাত্রা ৮৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তার সিটি স্ক্যানসহ অন্যান্য পরীক্ষার রিপোর্টগুলোও সন্তোষজনক বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
 
আবু তাহের মোহাম্মাদ (এটিএম) শামসুজ্জামান ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালে পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে প্রথম কাজ শুরু করেন।
 
অভিনেতা হিসেবে তার অভিষেক হয় ১৯৬৫ সালে। ১৯৭৬ সালে আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘নয়নমণি’ চলচ্চিত্রে খলনায়ক চরিত্রে অভিনয় করে তিনি আলোচনায় আসেন।
 
২০০৯ সালে “এবাদত” সিনেমা দিয়ে পরিচালনায় অভিষেক হয় এটিএম শামসুজ্জামানের।
 
কিংবদন্তি কমেডিয়ান ও খল অভিনেতা ছয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। ১৯৮৭ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত “দায়ী কে” চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। ১৯৯৯ সালে “ম্যাডাম ফুলি” সিনেমায় কমেডিয়ান চরিত্রে, ২০০১ সালে “চুড়িওয়ালা”, ২০০৯ সালে “মন বসে না পড়ার টেবিলে”, ২০১২ সালে “চোরাবালি” ছবিতে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের জন্য এবং ২০১৭ সালে ৪২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন এই অভিনেতা।
 
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে অসামান্য অবদানের জন্য ২০১৫ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।
 
দেশকণ্ঠ/অআ

AD by Deshkontho
AD by Deshkontho
×

আমাদের কথা: ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।