• শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ৩ বৈশাখ ১৪২৮  নিউইয়র্ক সময়: ২২:১৯    ঢাকা সময়: ০৮:১৯

সময় এসেছে সিস্টেম পরিবর্তনের

  • মতামত       
  • এপ্রিল ০৩, ২০২১       
  • ২৩৪

অনিরুদ্ধ ব্রতচারী
আমরা নানান সিস্টেম নিয়ে কথা বলি, কিন্তু সিস্টেম সবসময় সফট হার্ড নয়। তাই সিস্টেম পরিবর্তন করা যায়। সিস্টেমে নানান কিছু প্রবেশ করে থাকে। এইজন্য এন্টি ভাইরাস ইত্যাদি এসেছে। অর্থাৎ সিস্টেম পরিবর্তন করা যায় এবং নষ্ট করা যায়। যখন বলা হয় এইসব সিস্টেম, অনেক আগে থেকেই চালু আছে, ইত্যাদি ইত্যাদি। পরিবর্তন করা যাবে না। আমি বলি যদি আপনি নিজের ইচ্ছেমত সিস্টেমকে ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে পরিবর্তনও করা সম্ভব। এই পরিবর্তন করতে পারে যে কেউ, তবে যুবরাই এখানে অগ্রণীকর্মী। তারাই ঝুকি নিতে পারে।  
 
কম্পিউটারে যেটা চলে সেটা সিস্টেম, ঠিক যেন আমাদের সমাজে, প্রতিষ্ঠানে, অফিসে, আদালতে চলে আসা সিস্টেম। কী অদ্ভুত মিল! কম্পিউটারের সেই সিস্টেম কী দ্রুত আমরা চেঞ্জ করেছি বা করছি বা যেখানে যেমন প্রয়োজন সেভাবে তৈরি করে বা পরিবর্তন-পরিমার্জন করে নিচ্ছি, সিস্টেম যাতে নষ্ট না হয় প্রতিরক্ষা দিচ্ছি। সিস্টেম নিয়েও কত মত পথ এসেছে। এসব যদি সম্ভব হয় তাহলে সমাজে, প্রতিষ্ঠানে, অফিস, আদালতে চলে আসা সিস্টেম কেন পরিবর্তন বা পরিবর্তন-পরিমার্জন হবে না?
 
যখন কোন পরিবর্তন করা হয় সেটা কেউই সহজভাবে মেনে নেয় না, একটা সময় যখন কম্পিউটার বা তথ্য প্রযুক্তি এলো, তুলনামূলক তরুণ-যুবরা ব্যবহার শুরু করলো তখন পরিবারে, অফিসে বা সমাজে সবখানেই নানান বিরূপ সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছিল। ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগ যখন শুরু হলো তখনও তরুণ কর্তা বা স্টাফদের বিরূপ কথা শুনতে হয়েছিল। এখন সেটাই সারা বিশ্ব গ্রহণ করে দ্রুত পরিবর্তন করে নিয়েছে। সেবা, শিক্ষা, গবেষণা, উৎপাদন, যোগাযোগ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সিস্টেম সহজ হয়ে এসেছে। এই পরিবর্তন সহজভাবে আসে নি। তবে ব্যাপক চাহিদার কারণে পরিবর্তন এসেছে। আর কিছু পরিবর্তন জোর করে করতে হয়।  কম্পিউটারের সিস্টেম যেমন ইউজার ফ্রেন্ডলী করা হয়েছে তেমনি আমাদের সমাজে, অফিসে, আদালতে, প্রতিষ্ঠানে চলে আসা সিস্টেম ইউজার ফ্রেন্ডলি করতে হবে।
 
ব্যাপক জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য কম্পিউটারের সফট সিস্টেম যখন আনা হল তখন কেউই ভালোভাবে গ্রহণ করে নি, অনেককে অপদস্ত হতে হয়েছে, কাউকে কাউকে পাগল বলা হয়েছে। ঠিক তেমনি সমাজের, প্রতিষ্ঠানের, অফিসের, আদালতের  সিস্টেম এ কিছু চেঞ্জ বা মডিফাই বা নতুন কিছু করতে গেলে নানান ঝামেলা এসেছে এবং আসবে, কেউ পাগল বলবে, কেউ সমাজ ছাড়া করবে, কেউ রাষ্ট্রদ্রোহী বানাবে, মামলা হবে ইত্যাদি ইত্যাদি।
 
কিন্তু পরিবর্তন থেমে থাকেনি, থাকবে না। শুধু প্রয়োজন সেই পরিবর্তন দূতদের। এক দূত এসেছিলেন বাংলাদেশকে স্বাধীন করে দিয়ে নিজ পায়ে দাঁড়িয়ে বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে বাঁচবার পথে তুলে দিয়েছিলেন- তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাই বলতে বেশ ইচ্ছে করছে, ‘শেখ মুজিবের পথ ধর, সিস্টেম পরিবর্তন কর। বঙ্গবন্ধুর পথ ধরো, সিস্টেমের ভাইরাস দূর কর।’ নইলে বাংলাকে রক্ষা করা যাবে না।
দেশকণ্ঠ/আসো  
 

  মন্তব্য করুন
AD by Deshkontho
AD by Deshkontho
×

আমাদের কথা: ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।