• শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১, ৩ বৈশাখ ১৪২৮  নিউইয়র্ক সময়: ২২:২৪    ঢাকা সময়: ০৮:২৪

সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চই হয়ে উঠল অসুন্দর বিজয়িনীর মাথা থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হল মুকুট

পরে অবশ্য বিজয়িনীকেই ফিরিয়ে দেওয়া হয় সেরার শিরোপা

দেশকণ্ঠ ডেস্ক :   'বিজয়িনী' কবিতায় নজরুল লিখেছিলেন-- 'হে মোর রানি! তোমার কাছে হার মানি আজ শেষে/....এই হার-মান-হার পরাই তোমার কেশে'! কিন্তু মাথায় পরিয়ে দেওয়া মুকুট খুলে নিতে গিয়ে তা 'কেশে' আটকে গিয়ে আক্ষরিক অর্থেই যে একটা 'চুলোচুলি' ব্যাপার ঘটতে পারে নজরুলের কবিতায় তার ইঙ্গিতমাত্র নেই!
 
থাকবেই-বা কী করে! এমন ঘটনা তো কখনও ঘটেছে বলেও কেউ মনেও করতে পারছে না! স্বয়ং বিজয়িনীর মাথা থেকে মুকুট খুলে নেওয়ার মতো অসুন্দর ঘটনা কোনও সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় যে ঘটতে পারে, তাই-বা কে ভেবেছে। অথচ তেমন ঘটনাই ঘটল শ্রীলঙ্কায়। শ্রীলঙ্কার এক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় বিজয়িনীর মাথা থেকে মুকুট খুলে নেওয়া হল। এবং খুলে নেওয়ার সময়ে টানা-হেঁচড়ায় মাথায় আঘাত পেলেন বিউটি কুইন। তাঁকে ভর্তিও হতে হল হাসপাতালে।
 
'মিসেস শ্রীলঙ্কা' প্রতিযোগিতায় এই বিতর্কের সূত্রপাত। ২০২০-'২১ বর্ষের বিজয়িনী ঘোষিত হন ৩১ বছরের পুষ্পিকা ডি সিলভা । নাম ঘোষণা হওয়ার পর পুষ্পিকার মাথায় মুকুট ওঠে। নিজে হাতে তা পুষ্পিকার মাথায় তুলে দেন ২০১৯-'২০ বর্ষের বিজয়িনী ক্যারোলিন জুরি । পরে হাতে মাইক নিয়ে পুষ্পিকাকে আক্রমণ করেন তিনি। তিনি ঘোষণা করেন, পুষ্পিকা মুকুটের যোগ্য নন। কারণ প্রতিযোগিতাটি বিবাহিত মহিলাদের জন্য। পুষ্পিকার বিয়ে হলেও বিচ্ছেদ ঘটেছে। তাই সেরার শিরোপা পাওয়ার যোগ্য নন পুষ্পিকা। এর পরে পুষ্পিকার মাথার মুকুট ধরে টানাটানি শুরু করেন ক্যারোলিন। চুল ধরে টেনে-হিঁচড়ে শেষমেশ মুকুটটি পুষ্পিকার মাথা থেকে খুলে দ্বিতীয় স্থানাধিকারীর মাথায় পরিয়ে দেন। গোটা ঘটনায় অপমানিত হয়ে মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে যান পুষ্পিকা। তবে পরে নেটমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন। তিনি বলেন, আইনত বিচ্ছেদ না হলেও স্বামীর থেকে আলাদাই থাকেন তিনি। 
 
এর পরই বিষয়টি নিয়ে তুলকালাম শুরু হয়। প্রতিযোগিতার আয়োজকদের তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন নেট-নাগরিকরা। অন্যান্য দেশেও বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। নড়েচড়ে বসেন উদ্যোক্তারা। সেরার মুকুট তাঁরা ফেরত দেন পুষ্পিকাকে। বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়, পুষ্পিকার কাছে ক্ষমাও চাওয়া হয়েছে।
 
দেখতে গেলে অবশ্য শেষে সেই নজরুলকবিতাই  আওড়ে বলতে হয়-- 'হে মোর রানি! তোমার কাছে হার মানি আজ শেষে'! 
দেশকণ্ঠ/অআ
 
 
 
 
 
 
 
 
 

  মন্তব্য করুন
AD by Deshkontho
AD by Deshkontho
×

আমাদের কথা: ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।