• শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ১১ আষাঢ় ১৪২৮  নিউইয়র্ক সময়: ০৬:৪২    ঢাকা সময়: ১৬:৪২

কৃষকের ক্ষতি না করে ভারত থেকে চাল আমদানি : অর্থমন্ত্রী

দেশকণ্ঠ প্রতিবেদক :  ভারত থেকে আরও ৫০ হাজার টন চাল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। প্রতি কেজি চাল ৩৪ টাকা ৯৩ পয়সা দরে কেনা হবে। ভারতের পি কে এগ্রি লিংক প্রাইভেট লিমিটেড খাদ্য অধিদপ্তরকে এসব চাল সরবরাহ করবে। একইসঙ্গে পার্শ্ববর্তী এই দেশ থেকে জি টু জি ভিত্তিতে (সরকার থেকে সরকার) আরও এক লাখ টন চাল কেনার অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বুধবার (৭ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এসব চাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
 
কমিটির বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, খাদ্য অধিদপ্তরের প্রস্তাবে ভারতের ন্যাশনাল ফেডারেশন অব ফার্মার্স প্রকিউরমেন্ট প্রসেসিং অ্যান্ড রিটেইলিং কো-অপারেশনের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে এক লাখ টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
 
এছাড়া খাদ্য অধিদপ্তরকে ভারতের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পি কে এগ্রি লিংক লিমিটেডের কাছ থেকে ১৭৪ কোটি ৬৫ লাখ ৮৩ হাজার ২০০ টাকায় ৫০ হাজার টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে ক্রয় সংক্রান্ত কমিটি। এ হিসাবে প্রতি টন চালের দাম পড়বে ৪১১.৯৩ ডলার। অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী চাল আমদানি করা হচ্ছে। এমনভাবে আমদানি হচ্ছে যাতে কৃষকের ক্ষতি না হয় আবার বাজারও স্থিতিশীল থাকে।
 
লকডাউনের কারণে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য কোনো সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, করোনার বিস্তার রোধ এবং তার প্রভাবে সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়টি ঠিক করার জন্য আলাদা কর্তৃপক্ষ রয়েছে। সরকার সব সময় সাধারণ মানুষ যাতে স্বস্তিতে থাকেন সে ব্যবস্থা করে যাচ্ছে। এখন পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে সরকার উদ্যোগ নেবে। তবে অর্থমন্ত্রণালয় থেকে এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
 
বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের জিডিপির প্রক্ষেপন বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব সংস্থা ধারণার ভিত্তিতে একেক সময় একেক ধরনের প্রক্ষেপণ করে। সরকার বাস্তব তথ্য ও উপাত্তের পরিপ্রেক্ষিতে হিসাব করে থাকে। তবে কোনো সংস্থার কম বেশি প্রক্ষেপণ বিষয় নয়, জিডিপি প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে কাজ করতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বাস্তবায়নের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
 
ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় বুধবার ৮টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলেও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ৭টি। সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগের তিনটি, গণপূর্তের একটি, জ্বালানি খনিজ সম্পদ বিভাগের একটি ও সেতু বিভাগের একটি প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। এসব প্রস্তাবে মোট ব্যয় হবে এক হাজার ৭৫৫ কোটি টাকা।
 
সরকারি কোষাগার থেকে দিতে হবে এক হাজার ৮৩ কোটি টাকা। ভারতীয় এক্সিম ব্যাংক থেকে ঋণ হিসেবে পাওয়া যাবে ৬৭২ কোটি টাকা। এরমধ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবে সুইজাল্যান্ডের এওটি ট্রেডিংয়ের কাছ থেকে ৩৩ লাখ ৬০ হাজার এমএমবিটিইউ এলএনজি কেনার একটি প্রস্তাব রয়েছে। এতে পেট্রোবাংলার ২৪৩ কোটি টাকা ব্যয় হবে।
দেশকণ্ঠ/অআ

  মন্তব্য করুন
AD by Deshkontho
AD by Deshkontho
×

আমাদের কথা: ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।