• শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ১১ আষাঢ় ১৪২৮  নিউইয়র্ক সময়: ০৬:৪৪    ঢাকা সময়: ১৬:৪৪

নাভালনির সংগঠনকে নিষিদ্ধ করলো রাশিয়ার আদালত

দেশকণ্ঠ প্রতিবেদন :  এ রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হিসেবে আখ্যয়িত করেছেন নাভালনি সমর্থকরা। তারা বলছেন, আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনের কয়েক মাস আগে পুতিন-বিরোধীদের স্তব্ধ করে দেওয়ার হীন উদ্দেশ্য নিয়ে এই রায় দেওয়া হয়েছে। আল জাজিরা-র খবরে বলা হয়েছে, মস্কো সিটি কোর্টের দেওয়া এ রায় তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। এর ফলে নাভালনির প্রতিষ্ঠান ফাউন্ডেশন ফর ফাইটিং করাপশন (এফবিকে) এবং দেশজুড়ে এ সংগঠনের সব আঞ্চলিক অফিসগুলো নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এগুলোর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা সরকারি কোনও পদ পদবীর জন্য প্রার্থী হতে পারবেন না।
 
এছাড়া নাভালনির সংগঠনগুলোকে উগ্রপন্থী হিসেবে আখ্যায়িত করায় সরকারের পক্ষে সেগুলোর সঙ্গে যুক্ত অ্যাক্টিভিস্ট ও তহবিলদাতাদের বিচারের আওতায় এনে দীর্ঘ সাজা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের মুখপাত্র আলেক্সি জাফেয়ারভ বলেন, এই সংগঠনগুলো সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ও শত্রুতাকে প্ররোচিত করে এমন তথ্যই শুধু ছড়িয়ে দেয়নি বরং তারা চরমপন্থী কার্যকলাপে লিপ্ত হয়েছে।
 
২০২০ সালের আগস্টে হত্যাচেষ্টার শিকার হয়েছিলেন নাভালনি। সে সময় তিনি সাইবেরিয়ার টমসক শহর থেকে উড়োজাহাজে করে মস্কোয় ফিরছিলেন। যাত্রাপথে উড়োজাহাজেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে বহনকারী প্লেনটি সাইবেরিয়ার ওমস্কে জরুরি অবতরণ করে। সেখানকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। তিনি কোমায় চলে যান। পরে চিকিৎসার জন্য তাকে জার্মানির বার্লিনে নেওয়া হয়। সেখানে ধীরে ধীরে সেরে ওঠেন তিনি।
 
বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ভিত্তিতে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে জার্মান বিশেষজ্ঞরা জানান, নাভালনিকে রাশিয়ান নার্ভ এজেন্ট 'নোভিচক' প্রয়োগ করা হয়েছিল। পরে অন্যান্য দেশের বিশেষজ্ঞরাও একই অভিমত দেন। বিষ প্রয়োগের জন্য সরাসরি পুতিনকে দায়ী করেন নাভালনি। তবে পুতিন এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক তদন্তের আহ্বানও প্রত্যাখ্যান করেছে ক্রেমলিন। দেশে ফিরলেই গ্রেফতারের হুমকি উপেক্ষা করে ২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি জার্মানি থেকে দেশে ফেরেন নাভালনি। বিমানবন্দরেই তাকে গ্রেফতার করা হয়। অর্থ আত্মসাতের পুরোনো মামলায় গত ফেব্রুয়ারি মাসে তকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর ধারবাহিকতায় ৯ জুন নাভালনির প্রতিষ্ঠিত সংগঠনগুলোও নিষিদ্ধ করে রাশিয়ার আদালত। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা রাশিয়ার কোনও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন না।
দেশকণ্ঠ/অআ

  মন্তব্য করুন
AD by Deshkontho
AD by Deshkontho
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা: ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।