• সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮  নিউইয়র্ক সময়: ২১:৪৮    ঢাকা সময়: ০৭:৪৮

ঈদপরবর্তী স্বাস্থ্যসেবা

  • মতামত       
  • ১৬ জুলাই, ২০২১       
  • ১৬৭

ঈদের পর সম্ভাব্য স্বাস্থ্য সেবার জন্য প্রস্তুতির বিষয়টি এখনই ভাবতে হবে। করোনার এই দুগর্তি বাঙালিসহ সারাবিশ্বকেই আরো অনেক দিন বহন করতে হবে। ঈদের সময় ব্যাপক মানুষের স্থান বদল হবে এবং এর সাথে করোনা মহাশয়ও খেলা দেখাবেন!  আজই ভাবতে হবে করোনা ভাইরাস নিয়ে। কী করা যায়, তা-ই বলেছেন— অনিরুদ্ধ ব্রতচারী

অবজারভেশন স্তর : হাসপাতালের বাইরে অস্থায়ীভাবে (তাবু দিয়ে) বা কোন ভবনে, এই অবজারভেশন ইউনিট করতে হবে। যে কোন অসুস্থ ব্যক্তি বা করোনা লক্ষণ নিয়ে কেউ এলে এখানেই যাচাই করে কিছু দিন রেখে দিয়ে দেখবে বা বাড়িতে পাঠিয়ে দিবে (বাড়িও অবজারভেশন হিসেবে গণ্য হবে)। এখানেও সিলিন্ডার অক্সিজেন এবং ঔষধ নিশ্চিত করতে হবে। এবং যাদের টিকা নেয়া হয় নি তাদের টিকা দিবে।
 
দ্বিতীয় স্তর : অবজারভেশন পর্যায়ে স্বাস্থ্যের উন্নতি হলে বাড়িতে পাঠিয়ে দিবে। অবনতি হলে হাসপাতালে আবাসিক রুগী হিসেবে ভর্তি হবে। চিকিৎসা চলবে। এতে অন্তত মানুষের মনে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হবে যে সরকার চিকিৎসা দিচ্ছে। একেবারে ফেলে দিচ্ছে না। চিকিৎসা সেবকদের নিরাপত্তা : চিকিৎসক, নার্স, স্যাম্পল কালেকটর, ভলান্টিয়ার, ক্লিনার ইত্যাদি সংশ্লিষ্টদের টিকা, মাস্ক এবং পিপিই নিশ্চিত করতে হবে।
 
করোনা টেস্ট : টিকা দেওয়া এবং চিকিৎসা নিশ্চিত করা হলে বর্তমান করোনা টেস্ট পদ্ধতি পরিবর্তন করতে হবে। কারণ, দেখা যাচ্ছে কিছুদিন পর পর একই ব্যাক্তিকে বারবার টেস্ট করতে হচ্ছে এতে অর্থ খরচ হচ্ছে এই সময়ে কিন্তু রেজাল্ট একই! দেখা যাচ্ছে বারংবার নেগেটিভ রেজাল্ট আসে কিন্তু তবুও টেস্ট করতে হচ্ছে। এটি একসময় টেস্ট করতে নিরুৎসাহী হিসেবে কাজ করবে। ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হলেও পাত্তা দিবে না। আবার যার করোনা আছে সে দিব্যি সব কিছু করছে এবং একটা সময় সেরে যাচ্ছে। এই রকম লোকের সংখ্যা বেশি।
 
যা অবশ্যই করতে হবে : করোনা চেইন ভেঙ্গে দেবার এবং সংক্রমিত হবার থেকে রক্ষার পদ্ধতি কঠোরভাবে পরিপালন করতেই হবে। (যেমন জানা সত্বেও রোগ গোপন করা, ছড়িয়ে দেওয়া, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, মাস্ক ব্যবহার করা, কর্মস্থলের নিয়ম কানুন)— এসব  আইন প্রয়োগ করেই বাস্তবায়ন করতে হবে। এজন্য এলাকা ভিত্তিক যৌথ টাস্ক ফোর্স থাকতে হবে যেন আইন প্রয়োগ অত্যাচারের মত না হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে টিকা ও চিকিৎসাসহ অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। এসব করতে বিদ্যমান/প্রচলিত আইন ও বিধি যদি পর্যাপ্ত না হয় তাহলে আইন-বিধি সংশোধন বা নতুন আইন-বিধি প্রণয়ন করতে হবে।
 
টিকা ও ঔষধ : এই করোনা ( covid 19) ভাইরাস সকালে এসেছে বিকালে বা পরদিন চলে যাবে এমন না, এটি রয়ে যাবে। সে নিজেকে ক্রমশঃ শক্তিশালী করে তুলছে এবং ভবিষ্যতে শুধু মানুষ না অন্যান্য প্রাণী বা বাতাসেও ছড়িয়ে পড়তে পারে এমন আশঙ্কা করা সমীচীন। তাই সে যেখানেই থাকুক না কেন মানুষকে টিকা দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এভাবে পুরোটা কন্ট্রোল করতে কয়েক বছর লেগে যাবে নিশ্চিত। এসব (টিকা) উৎপাদকদের নানান ধরনের খেলা ইতোমধ্যে স্পষ্ট হয়েছে, যা শুভ নয়। তাই নিজ দেশেই টিকা ও ঔষধ প্রস্তুত করতে হবে।
দেশকণ্ঠ/আসো
 

 

  মন্তব্য করুন
AD by Deshkontho
AD by Deshkontho
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা: ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।