• মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ৪ কার্তিক ১৪২৮  নিউইয়র্ক সময়: ১৩:৫৭    ঢাকা সময়: ২৩:৫৭

গাজার ৯৭% পানিই দূষিত বড় ভুক্তভোগী শিশুরা

দেশকণ্ঠ প্রতিবেদন : ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় “পানি সংকট” প্রায় ২০ লাখ অধিবাসীকে প্রতিনিয়ত ভোগাচ্ছে। গাজার অনেক অভিবাসীকেই পানি কিনতে হচ্ছে। কারণ দীর্ঘ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সরবরাহ করা পানি প্রায়ই ঠিকমতো পাওয়া যায় না। আর পাওয়া গেলেও অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে তা পানের উপযোগী থাকে না।  প্রচণ্ড মাত্রার এই দূষিত পানি জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে শিশুরা পনিবাহিত রোগের ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে।
 
মানবিক তহবিল হ্রাস এবং ইসরায়েলের ধারাবাহিক অবরোধ ও হামলার কারণে গত কয়েক দশক ধরে এই সংকট আরও মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। আল-শাতী শরণার্থী শিবিরের ৩৬ বছর বয়সী আবদেলকরিম আল জাজিরাকে জানান, তার এলাকায় পানি পান করার উপযুক্ত নয়। এর স্বাদ এমন যেন সমুদ্রের পানি। আমরা এই পানি পান করতে, রান্না করতে বা এমনকি গোসল করতেও ব্যবহার করতে পারি না। 
 
আবদেলকরিম বলেন, “শরণার্থীদের সপ্তাহে মাত্র তিনবার পৌরসভার পানি নেওয়ার অনুমতি আছে। কখনও কখনও সেটাও ‘নর্দমার মিশ্রিত’ পানি হয়। শরণার্থী শিবিরে জীবন দুর্বিষহ। আমরা সবসময় বিক্রেতাদের কাছ থেকে খাবারের পানি কিনে খাই।”  গাজার অনেক পানি বিক্রেতা প্রথমে পানিকে লবণমুক্ত করে। তারপর শিবিরে মানুষের কাছে প্রতি ১ হাজার লিটার ৩০ শেকলে (৭ মার্কিন ডলার) বিক্রি করে। 
 
উত্তর গাজার আল-শেখ রেদওয়ান পাড়ার মুহাম্মদ সেলিম নামে এক বাসিন্দা বলেন, ‘‘আমার বাগানের সব গাছপালা শুকিয়ে গেছে। পানিতে উচ্চমাত্রার লবণাক্ততা এবং উচ্চ ক্লোরাইডের কারণে গাছগুলো মারা গেছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘যদি এই পানির কারণে গাছপালা মরে যায়, তাহলে মানুষের কী অবস্থা হচ্ছে?’’ 
 
মানবাধিকার সংগঠনগুলো গাজা উপত্যকায় অবনতিশীল পানি পরিস্থিতি নিয়ে কয়েক বছর ধরে সতর্ক করে আসছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, গাজার ভূগর্ভস্থ পানিতে লবণাক্ততা এবং নাইট্রেটের মাত্রা নিরাপদ পানীয় জলের জন্য নির্ধারিত মাত্রার “অনেক ওপরে” রয়েছে। ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, গাজার প্রায় ৯৭% পানিই দূষিত। ফলে সেখানকার ৫০% শিশু পানিবাহিত রোগে ভুগছে।
দেশকণ্ঠ/অআ

  মন্তব্য করুন
AD by Deshkontho
AD by Deshkontho
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা: ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।