• মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ৪ কার্তিক ১৪২৮  নিউইয়র্ক সময়: ১৩:৩৯    ঢাকা সময়: ২৩:৩৯

লাল কার্ড ও পেনাল্টিতে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

দেশকণ্ঠ প্রতিবেদন : আজ মালে স্টেডিয়ামের ম্যাচে নেপালের প্রয়োজন ছিল ১ পয়েন্ট। বিপরীতে বাংলাদেশের জয়। কিন্তু শেষের দিকে এসে জয়টা হাতছাড়া হয়ে গেলো। চার ম্যাচে দুই জয় এবং একটি করে ড্র ও হারে ৭ পয়েন্ট নিয়ে হিমালয়ের দেশটি ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। সমান ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে স্বপ্নভঙ্গ হলো বাংলাদেশের।
 
অনেক দিন পর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালে ওঠার হাতছানি ছিল বাংলাদেশের সামনে। নেপালের বিপক্ষে প্রথমার্ধে গোল করে সেই পথেই থাকে অস্কার ব্রুজনের দল। একাদশে চার পরিবর্তন এনে মাঠে নামে বাংলাদেশ। ফাইনালের লক্ষ্যে লাল-সবুজ দলের ছকেও আসে পরিবর্তন। আগের তিন ম্যাচ বাংলাদেশ ৪-১-৪-১ ছকে খেললেও আজ খেলেছে ৪-৪-২ ছকে।
 
মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে পাল্টাপাল্টি আক্রমণ-নির্ভর খেলা হয়েছে। তৃতীয় মিনিটে নেপাল ফ্রি কিক পায়। সুজন শ্রেষ্ঠার শট অনেক দূর দিয়ে যায়। অষ্টম মিনিটে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়। জামাল ভূঁইয়ার ফ্রি কিকে সুমন রেজা লাফিয়ে উঠে হেডে গোল করেন। ১৩ মিনিটে সাদ উদ্দিনের জোরালো শট পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়।
 
১৫ মিনিটে নেপাল সুযোগ পায়। তবে সতীর্থের কাটব্যাক থেকে রোহিত চাদের শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। ১৯তম মিনিটে বাংলাদেশ আক্রমণে যায়। রাকিব হোসেন বক্সের প্রান্ত থেকে শট নিলে তা দূরের পোস্ট দিয়ে যায়। ২২ মিনিটে সুমন ভালো সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি। ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে ইব্রাহিমকে বল না দিয়ে নিজেই মারলেন। কিন্তু গোলকিপার কিরণ কুমার সহজেই করেন তালুবন্দি।
 
বিরতির পর বাংলাদেশ রক্ষণ সামলাতে ব্যস্ত থেকেছে। পাশাপাশি আক্রমণেও গেছে। গোলকিপার জিকো নেপালের একাধিক গোলের সুযোগ প্রতিহত করেছেন। তবে বড় ভুলও করে বসেন এই গোলকিপার, যে কারণে লাল কার্ড দেখতে হয় তাকে। ৫০ মিনিটে নেপালের আয়ুস গালানের ফ্রি কিক গোলকিপার জিকো পাঞ্চ করে ফেরান। তিন মিনিট পর অনন্ত তামাংয়ের হেড আবারও জিকো ডান হাত দিয়ে কোনোমতে ফিরিয়ে দেন।
 
৫৫ মিনিটে সুমন রেজা একক প্রচেষ্টায় নেপালের বক্সে ঢুকে পড়ে শট নিলেও গোল আসেনি। নেপাল গোলকিপার হাঁটু দিয়ে রুখে দেন। ৬৩ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে ইব্রাহিমের হেড ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। মিনিট দুয়েক পর ক্রস থেকে নোওয়াগ শ্রেষ্ঠার হেড গোলকিপার জিকো ডান হাত দিয়ে প্রতিহত করেন।
 
৭৯ মিনিটে বাংলাদেশ ১০ জনের দলে পরিণত হয়। বক্স থেকে বেরিয়ে এসে প্রতিপক্ষের একজনকে বাধা দেন গোলকিপার জিকো। কিন্তু বল গিয়ে লাগে তার হাতে। রেফারি লাল কার্ড দেখাতে সময় নেননি। এমনিতেই একজন কম, এর ওপর আবার ৮৭ মিনিটে পেনাল্টি পায় নেপাল। বক্সের ওপর ভেসে আসা বলে নেপালি ফরোয়ার্ডকে পুশ করেছিলেন সাদ উদ্দিন। কিন্তু সেটি ফাউল ছিল কিনা, সেটা নিয়েই বিতর্ক। বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা আপত্তি জানালেও রেফারি তার সিদ্ধান্তে ছিলেন অটল। স্পট কিক থেকে অঞ্জন বিষ্টা লক্ষ্যভেদ করে বাংলাদেশের হৃদয় ভেঙে নেপালকে নিয়ে যান ফাইনালে।
দেশকণ্ঠ/অআ

  মন্তব্য করুন
AD by Deshkontho
AD by Deshkontho
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা: ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।