• মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮  নিউইয়র্ক সময়: ২০:৩৪    ঢাকা সময়: ০৬:৩৪

অভিনেত্রী সায়নীকে থানায় নিতে হোটেল ঘিরে রেখেছে পুলিশ

দেশকণ্ঠ প্রতিবেদন : বাংলায় হ্যাটট্রিকের পর এবার তৃণমূলের নজরে ত্রিপুরা পৌরসভার ভোট। সেই নির্বাচনে বাজিমাত করতে ঘন ঘন রাজ্যটিতে হাজির হচ্ছে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আর এই আসা যাওয়ার মাঝে বেশ কয়েকবার আক্রমণেরও শিকার হয়েছে সবুজ শিবির। এবার পুলিশি ঝামেলায় জড়ালেন যুব তৃণমূল সভাপতি সায়নী ঘোষ। রোববার ভোট প্রচারে ত্রিপুরা যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সে রাজ্যেই ঘাঁটি গেড়েছেন সায়নী, কুণাল ঘোষ, সুস্মিতা দেবরা। সকলেই রয়েছেন পোলো টাওয়ার হোটেলে। রোববার সকালে হোটেলে হানা দেয় স্থানীয় পুলিশ। উদ্দেশ্য, সায়নীকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া।
 
তাদের অভিযোগ, সায়নীর গাড়ি একজনকে ধাক্কা মেরেছে। আহত হয়েছেন তিনি। তাই সায়নীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যেতে হবে। এই নিয়েই শুরু হয় বিবাদ। রুখে দাঁড়ান কুণাল ঘোষ। সায়নীকে আটক করার জন্য আইনি নোটিস কোথায়? প্রশ্ন তার। তার দাবি, বিজেপি ভয় পেয়েছে। তাই বারবার পুলিশ পাঠাচ্ছে। পুলিশকে হাতের মুঠোয় নিয়ে রাজনীতি করতে চাইছে তারা। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে তীব্র ভর্ৎসনা করে সায়নী টুইট করেছিলেন, ‘আপনার মরে যাওয়া উচিত। আপনার লজ্জিত হওয়া উচিত নিজের থেকে অর্ধেক বয়সের তরুণ নেতাদের আক্রমণ করতে। বিশ্বাস করুন আমরা যখন বলছি তখন আপনাকে এবং আপনাদের দলকে ত্রিপুরার মানচিত্র থেকে মুছে দেব। কথা দিচ্ছি আমরা।’
 
তবে তিনি এও জানান, সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে সায়নীকে নিয়ে থানায় যাবেন তিনি। পালটা সায়নীরও দাবি, পালিয়ে যেতে আসেননি তিনি। মুখোমুখি লড়াই করার জন্য এসেছেন। কী জন্য থানায় ডাকা হয়েছে, কী বৃত্তান্ত তা জানতেই যাবেন তিনি। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে খবর, পুলিশ সায়নীকে থানায় নিয়ে যেতে হোটেল ঘিরে রেখেছে। সায়নীকে নিয়ে থানায় রওনা দেবেন কুণাল ঘোষ। এর আগেও ত্রিপুরা এসেছেন সায়নী। বেশ কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন তিনি। সে রাজ্যে তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা এবং জয়া দত্তের উপর হামলার ঘটনায় সরব হয়েছিলেন তিনি।
দেশকণ্ঠ/অআ

  মন্তব্য করুন
AD by Deshkontho
AD by Deshkontho
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা: ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।