• মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮  নিউইয়র্ক সময়: ২০:১৪    ঢাকা সময়: ০৬:১৪

আসেন জেনে নেই কেমন আছেন বেইলি রোডের ঘটনায় আহতরা

  • মতামত       
  • ২২ নভেম্বর, ২০২১       
  • ২৩

দেশকণ্ঠ প্রতিবেদন : রাজধানীর বেইলি রোডে প্রাইভেট কারের বেপরোয়া গতিতে রিকশা দুমড়ে-মুচড়ে দেওয়া ঘটনায় আহত দুজন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। গাড়ির ধাক্কায় রিকশায় থাকা ফখরুল হাসানের হাত এবং তার পাঁচ মাস বয়সী ছেলে মো. বিন হাসানের পা ভেঙে গেছে। তিন হাসপাতাল ঘুরে বর্তমানে রাজধানীর হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তারা। এ ঘটনায় রিকশাচালক সামান্য আঘাত পেয়েছিলেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ফখরুলের স্ত্রী রুকাইয়া আক্তার নিশি বলেন, “দুর্ঘটনার দিন আমি ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখি আমার স্বামীর মাথা থেকে রক্ত পড়ছে এবং আমাদের সন্তান কাঁদছে। ও এমনভাবে কাঁদছিল যেন শ্বাস নিতে পারছিল না।”
 
তিনি বলেন, “হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে আমি তাদের এখনও দেখতে পাইনি।” তিনি আরও বলেন, “আমি এখনও আমাদের ছেলের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানতে পারিনি। পায়ে অপারেশন করার পর তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বর্তমান অবস্থায় তার সিটি স্ক্যান করা যায়নি।” নিশি বলেন, “আমার স্বামী কখন আবার কাজ শুরু করতে পারবেন তা নিয়ে আমি প্রতিনিয়ত চিন্তিত হয়ে পড়ছি। কবে আমাদের জীবন স্বাভাবিক হবে?”তিনি দুর্ঘটনার জন্য অভিযুক্ত কিশোরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে বলেন, “কীভাবে তার বাবা-মা তাকে গাড়ি চালানোর অনুমতি দিতে পারল?” উল্লেখ্য, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থেকে ২১ নভেম্বর ভোর সাড়ে ৪টায় প্রাইভেট কার চালক ওই কিশোরকে আটক করা হয়েছে। ওই কিশোরকে সংশোধন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে
 
এদিকে, এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সোমবার ঢাকার একটি আদালত অভিযুক্ত কিশোরের রিমান্ডের আবেদনও প্রত্যাখ্যান করে তাকে টঙ্গী কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে পাঠিয়েছেন। ঢাকার ষষ্ঠ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আল-মামুন এ আদেশ দিয়েছেন। এর আগে, রমনা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বিপ্লব সরকার ওই কিশোরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন। শুনানির সময় বিচারক বলেন, “দুর্ঘটনাটি কিশোরের দোষ নয়। তার বাবা একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেকে গাড়ি চালাতে দিয়েছেন।
দেশকণ্ঠ/অআ

  মন্তব্য করুন
AD by Deshkontho
AD by Deshkontho
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা: ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।