• মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮  নিউইয়র্ক সময়: ১৯:১১    ঢাকা সময়: ০৫:১১

পাকিস্তানের কাছে টেস্টে ১১তম হার বাংলাদেশের

  • ক্রীড়া       
  • ৩০ নভেম্বর, ২০২১       
  • ২৮

 

রুবেল খান, চট্টগ্রাম ব্যুরো

২১ বছর ধরে টেস্ট পরিবারের সদস্য বাংলাদেশ দল ইতোমধ্যেই ১২৫তম টেস্ট ম্যাচ খেলে ফেলেছে।এরমধ্যে পরাজয়ের পাল্লাটা অনেক ভারী।৯৩টি ম্যাচেই হেরে গেছে টাইগাররা। ১৭টি ম্যাচ ড্র করতে সমর্থ হয়েছে তারা। আর ১৫টিতে জয় পেয়েছে টিম বাংলাদেশ।

এই ১৫টি জয়ের মধ্যে শক্তিধর টিম অস্ট্রেলিয়া ও ক্রিকেটর জনক ইংল্যাল্ড ও শ্রীলংকার বিপক্ষে একটি করে জয় রয়েছে টাইগারদের। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি আট জয় রয়েছে মুমিনুলদের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চারটি জয় রয়েছে তাদের ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে।

টেস্ট ক্রিকেটে শক্তিশালী ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একটি ম্যাচও এখনও জেতেনি বাংলাদেশ দল। এমনকি টেস্ট পরিবারের নবীন সদস্য আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি টেস্টে অংশ নিয়ে লজ্জাজনক পরাজয় বরণ করতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

সবচেয়ে বেশি পরাজয় রয়েছে লংকানদের বিপক্ষে। ২২ ম্যাচের মধ্যে ১৭টিদেই হেরেছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১২টি করে ম্যাচে পরাজয় রয়েছে বাংলাদেশের। পাকিস্তানেও বিপক্ষেও করুণদশা টাইগারদের। পাকিস্তানের বিপক্ষে ১২ ম্যাচের মধ্যে ১১টিতেই হেরেছে বাংলাদেশ। একটি মাত্র টেস্টে ড্র করতে সমর্থ হয়েছে টাইগাররা।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ চট্টগ্রাম টেস্ট হেরে গেলে বাংলাদেশ আট উইকেটের ব্যবধ্যানে। পাকিস্তানের বিপক্ষে ১১তম হারের এই ম্যাচটিতে পঞ্চম দিনের খেলাটা ছিল সফরকারী পাকিস্তান দলের জয়ের আনষ্ঠানিকতা মাত্র। ম্যাচের চতুর্থ দিনেই স্বাগতিক বাংলাদেশ দলের পরাজয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায়।  

চতুর্থ দিনে বাংলাদেশের ছুঁড়ে দেওয়া ২০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসেও দুর্দান্ত উদ্বোধনী জুটি গড়েন আবিদ আলী এবং আব্দুল্লাহ শফিক। চতুর্থ দিনে কোনো উইকেট না হারিয়েই ১০৯ রান তুলে নেয় পাকিস্তান। জয়ের জন্য তখন কেবল ৯৩ রানের দরকার ছিল তাদের। বাংলাদেশি বোলাররা অসহায় আরও একটি দিন শেষ করে। আবিদ আলী ৫৬ আর আব্দুল্লাহ শফিক ৫৩ রানে দিন শেষ করে।

চতুর্থ দিনে ঠিক যেখানে শেষটা টেনেছিল পাকিস্তান শেষ দিনে এসে শুরুটাও সেখান থেকেই করে। শফিক-আবিদ জুটি ধীরে ধীরে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে দিনের ১০ম ওভারে আব্দুল্লাহ শফিককে এলবিডাব্লিউ করে ফেরান মেহেদি হাসান মিরাজ। তবে তখন দেরি হয়ে গেছে অনেক। পাকিস্তানের স্কোরবোর্ডে তখন রান সংখ্যা ১৫১। শফিক ১২৯ বলে ৭৩ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে ফিরলেন ড্রেসিংরুমে।

শফিক যখন ফিরলেন জয়ের জন্য পাকিস্তানের তখন দরকার আর মাত্র ৫১ রান। শফিক ফিরলেও দ্বিতীয় ইনিংসেও সেঞ্চুরির দিকেই এগোচ্ছিলেন আবিদ আলী। তবে তাকে ম্যাজিকাল তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে দেননি তাইজুল ইসলাম। ৯১ রানে তাইজুলের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি। প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত শতকের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও সে দিকেই হাটছিলেন তিনি। কিন্তু ১৪৮ বলে ৯১ রান করেই তাইজুলের শিকার হয়ে ফেরেন আবিদ।

ম্যাচসেরা হওয়া ওপেনার আবিদ যখন ফিরছিলেন তখন স্কোরবোর্ডে পাকিস্তানের রান ১৭১, জয়ের জন্য তাদের আর দরকার ছিল মাত্র ৩২ রানের। এরপর বাকি কাজটা সারেন আজহার আলী এবং বাবর আজম। আজহার ৪৯ বলে ২৪ আর বাবর ২৫ বলে ১৩ রানে অপরাজিত থেকে আট উইকেটের জয় তুলে নেন।

অথচ এই টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পরও ৪৪ রানের লিড পেয়েছিল স্বাগতিক বাংলাদেশ দল। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশ মাত্র ৪৯ রানেই চার উইকেট হারানোর পরও লিটন দাসের সেঞ্চুরি (১১৪ রান) এবং মুশফিকুর রহিমের ৯১ রানে ভর করে ৩৩০ রান তোলে।

জবাবে শুরুটা দুর্দান্ত করলেও তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণি জাদুতে কুপোকাত হয় পাকিস্তানের মিডল এবং লোয়ার অর্ডার ব্যাটাররা। সফরকারীদের উদ্বোধনী জুটি ১৪৬ রান তুললেও শেষ পর্যন্ত আবিদ আলীর ১৩৩ আর আব্দুল্লাহ শফিকের ৫২ রানে ২৮৬ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৭টি উইকেট তুলে নেন তাইজুল ইসলাম। এতেই স্বাগতিকরা লিড পায় ৪৪ রানের।

প্রথম ইনিংসের মতো বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসটাও ছিল একই সুতায় গাঁথা। দ্বিতীয় ইনিংসেও মাত্র ৫৩ রানেই পাঁচ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। আবারও সেই লিটন দাসের অর্ধশতক (৫৯ রান) আর কনকাশনে মাঠ ছাড়া ইয়াসির আলী রাব্বির ৩৬ রানে ভর করে বাংলাদেশ মাত্র ১৫৭ রান তুলতেই অলআউট হয়ে যায়।

এভাবে দুই ইনিংসেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ম্যাচ থেকেই ছিটকে যায় টাইগাররা। টপ অর্ডারের চরম ব্যর্থতার কারণে লিড পেয়েও সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি মুমিনুলরা। যেখানে প্রয়োজন ভিত গড়া, সেখানেই শুরু হয় ভেঙে পড়া! চট্টগ্রাম টেস্টে দুই ইনিংসেই স্রেফ বিধ্বস্ত হয়েছে বাংলাদেশের টপ অর্ডার।

চোটের কারণে এবার অভিজ্ঞ ওপেনার তামিম ইকবালকে পায়নি বাংলাদেশ। অন্যরা পারেননি সেই ঘাটতি পুষিয়ে দিতে। দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও সাইফ হাসান ব্যর্থ পুরোপুরি। তিনে নামা নাজমুল হোসেন শান্তও পারেননি প্রত্যাশা পূরণ করতে। বাংলাদেশের সম্ভাবনাও মুখ থুবড়ে পড়েছে সেখানেই। বাংলাদেশ অধিনায়ক নিজে ব্যাট করেছেন চার নম্বরে। তাই ব্যর্থতার দায় সবচেয়ে বেশি দিচ্ছেন নিজেকেই।

দায় নিজের কাঁধে নিয়ে অধিনায়ক মুমিনুল বলেন, ‘টপ অর্ডারে আমিও আছি। টপ অর্ডারে বাকি সবাই ছিল অনভিজ্ঞ, ১০-১২ টেস্ট খেলা। আমিই একমাত্র ছিলাম ৪৫-৪৭ টেস্ট খেলা (৪৬তম টেস্ট ছিল এটি তার)। আমার ওপর দায়িত্ব বেশি ছিল, আমি দায়িত্বটা নিতে পারিনি। কাজেই দায়টা আমার নিজের ওপরই নিচ্ছি।আমার আরও দায়িত্ব নিয়ে ব্যাট করা উচিত ছিল। চার নম্বরে যদি বড় ইনিংস খেলতে পারতাম, তাহলে ভালো দিকে যেতে পারতাম।’

টাইগারদের লাকিগ্রাউন্ডখ্যাত চট্টগ্রাম জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচটি হারলেও ফর্মে ফেরা লিটন দাসের সেঞ্চুরি ও ফিফটির ইনিংস, মুশফিকের ৯১ রানের ইনিংস এবং স্পিনার তাইজুল ইসলামের সাত উইকেট পাওয়াটা সিরিজের পরের ম্যাচের জন্য তাদের আত্মবিশ্বাস ও অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে।

তবে এভাবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স দলের পরাজয় এড়াতে যথেষ্ট নয় বলেই মনে করেন বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক মুমিনুল হক। তার মতে, বিক্ষিপ্ত এসব ব্যিক্তিগত পারফরম্যা ন্সে ফলাফলের দিক থেকে বাংলাদেশের স‍ত্যি কারের কোনো লাভ হয় না। দলীয় সাফল্যেই কেবল অর্থপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে এসব অবদান।

মুমিনুল মনে করেন, এটা কেবল টেস্ট দলের সমস্যাফ নয়। বাংলাদেশের ক্রিকেটেরই চিরন্তন সমস্যাগ। নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বাংলাদেশ অধিনায়ক মুমিনুল বলেন, ‘ক্যা রিয়ারের শুরু থেকে আমি এটাই দেখে আসছি। সবসময় আমাদের সব সংস্করণেই হয়। জিততে হলে দলীয় পারফরম্যাইন্সের প্রয়োজন হয়। আমাদের এমন পারফরমার নেই, যে একা খেলবে আর দল জিতবে।’

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যখন আমরা দলীয়ভাবে পারফর্ম করি, তখন আমাদের জয়ের সম্ভাবনা বেশি থাকে। পরিসংখ্যান তাই বলে। টেস্ট, ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি যাই বলেন। একজনের পক্ষে ম্যাচ জেতানো খুবই কঠিন। আমাদের দেশে এমন পারফরমার খুব কম। আমরা যদি দলীয়ভাবে সবাই পারফরম করি…যেমন তাইজুল সাত উইকেট পেয়েছে। অন্য প্রান্তে যদি অন্য কোনো বোলার দু’তিনটি উইকেট পেত…।’

একই প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘দ্বিতীয় ইনিংসে যদি তাইজুলের সঙ্গে অন্যরা আরেকটু ভালো বল করতো। সঙ্গে ব্যাটসম্যানরা যদি ভালো ব্যাট করতো। আমি বা টপ অর্ডারের দুয়েকজন যদি ভালো ব্যাট করতাম, তাহলে হয়ত অন্যরকম হত। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে আমাদের কখনও সেভাবে দলীয় অর্জন হয় না।যখন দল হিসেবে খেলতে পারি, সবাই অবদান রাখতে পারি তখন ফল আসে। পরিসংখ্যানও তাই বলে।’

হোম সিরিজের শেষ টেস্ট ৪ ডিসেম্বর ঢাকার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। তামিমকে পাওয়া যাবে না পরের টেস্টেও। বাইরে এমন কেউ অপেক্ষায় নেই, যার ওপর নির্ভর করা যায়। প্রথম টেস্টের স্কোয়াডে ছিলেন তরুণ মাহমুদুল হাসান জয়। তাকে নিয়ে কিছু আশা করা যেতে পারে, তবে ‘ভরসা’ চাপিয়ে দেওয়া হবে অন্যায়।

দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও সাইফ হাসান চট্টগ্রাম টেস্টে ব্যাট হাতে ব্যর্থতার পরিচয় দেয়ায় সিরিজের শেষ টেস্ট স্কোয়াডে প্রথমবারের মতো জায়গা পেয়েছেন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ। তিনি টি-টোয়েন্টি দলের নিয়মিত ওপেনার। ওয়ানডে স্কোয়াডেও তাকে রাখা হয়। তবে টেস্ট দলে ডাক পাওয়াটা খানিকটা অভাবনীয়ই।কারণ, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খুব বেশি খেলার অভিজ্ঞতা নেই নাঈমের। ছয়টি ম্যাচ খেলেছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান, গড় মোটে ১৬.৬৩। ফিফটি কেবল একটি। গত ২১ মাসে তিনি কোনো প্রথম শ্রেণির ম্যাচেই খেলেননি।

সবশেষ প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলার পর এই লম্বা সময়ে দুটি বড় দৈর্ঘ্যের ম্যাচ তিনি খেলেছেন। একটি গত বছর সফরকারী জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ, যেটিতে আউট হন ১১ রানে। এরপর এই বছরের শুরুতে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ। সেটিতে প্রথম ইনিংসে করেন ৪৫, পরেরটিতে শূন্য। তাই নাঈম শেখ মিরপুর টেস্টে ওপেনার হিসেবে মাঠে নামার সুযোগ পেলে কতটুকু টপ অর্ডারের ব্যাটিং ব্যর্থতা কাটবে তা সময়ই বলে দেবে।

চোঁট কাটিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে দলে ফিরেছেন সাকিব আল হাসান ও তাসকিন আহমেদ। সাকিবের ফেরার প্রতীক্ষাই বেশি ছিল দলের। শুধু অভিজ্ঞ ও দলের সেরা ক্রিকেটার বলেই নয়, একাদশের ভারাসাম্যের জন্যও তাকে জরুরি। চট্টগ্রাম টেস্টের স্কোয়াড থেকে বাদ দেওয়া হয়নি কাউকেই। সাকিব-তাসকিন-নাঈমকে নিয়ে তাই শেষ টেস্টের জন্য বাংলাদেশ দলে ২০ জনের বিশাল বহর।

বাংলাদেশ টেস্ট দল: মুমিনুল হক (অধিনায়ক), সাদমান ইসলাম, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, লিটন কুমার দাস, ইয়াসির আলি চৌধুরি, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরি, আবু জায়েদ চৌধুরি, নাঈম হাসান, মাহমুদুল হাসান জয়, রেজাউর রহমান রাজা, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, শহিদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ নাঈম শেখ।

দেশকণ্ঠ/ এমআরকে

 

 

  মন্তব্য করুন
AD by Deshkontho
AD by Deshkontho
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা: ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।