• সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩  নিউইয়র্ক সময়: ১৬:৩৯    ঢাকা সময়: ০২:৩৯

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা

দেশকন্ঠ   অনলাইন : উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি তিস্তা পাড়ে আবারও স্বল্পমেয়াদী বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট (স্লুইস গেট) খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাত ৯টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
 
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে তিস্তার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও বেলার গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে। সন্ধ্যা ৬টায় বিপৎসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর রাত ৯টায় তা বিপৎসীমা অতিক্রম করে ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে।
 
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা শুনিল কুমার রায় বলেছেন, “উজানে এবং দেশের অভ্যন্তরে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাটই খুলে রেখেছি। নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের মানুষকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য বলা হয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড সার্বক্ষণিক নজরদারি বজায় রাখছে।”
 
বন্যার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে জানা গেছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলগুলোতে স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। নদীর পাড়ের মানুষদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনও সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।
 
নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী, গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, পরিস্থিতির প্রতি নজর রাখা হচ্ছে। নদীর পাড়ের মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
দেশকন্ঠ/এআর
 

  মন্তব্য করুন
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা

ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।