• রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩  নিউইয়র্ক সময়: ০৬:১৯    ঢাকা সময়: ১৬:১৯

প্রত্যাখ্যাত অভিবাসীদের ‘রিটার্ন হাবে’ পাঠাতে সম্মত ইইউভুক্ত ৫টি দেশ

 
দেশকন্ঠ  অনলাইন : আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়া অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর আগে তাদের রাখার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাইরে একটি দেশে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনে সম্মত হয়েছে পাঁচটি ইইউভুক্ত দেশ। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে এ উদ্যোগ শুরুর লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন ডেনমার্কের এক মন্ত্রী। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে ইউরোপের বাইরে প্রত্যাবাসনকেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে আলোচনার আয়োজন করা হয়। বৈঠকে ডেনমার্ক, গ্রিস, অস্ট্রিয়া, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস এই উদ্যোগে একমত হয়।
 
ডেনমার্কের অভিবাসনমন্ত্রী মর্টেন বোডস্কভ বলেন, ‘নতুন বছরের কাছাকাছি সময়ে আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের একটি অংশীদার দেশের সঙ্গে এ বিষয়ে একটি অভিন্ন সমঝোতায় পৌঁছানোর আশা করছি।’ তিনি বলেন, এসব দেশ ইইউর আশ্রয় ও অভিবাসন নীতিতে পরিবর্তন আনছে।উগান্ডা ও রুয়ান্ডাকে সম্ভাব্য অংশীদার দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
 
গ্রিসের অভিবাসন ও আশ্রয়বিষয়ক মন্ত্রী থানস প্লেভরিস বলেন, লক্ষ্য হলো ২০২৭ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের কোনো একটি দেশে ‘রিটার্ন হাব’ চালু করা। এ বিষয়ে আলোচনা এখন ‘অগ্রসর পর্যায়ে’ রয়েছে বলেও জানান তিনি।এর আগে, শুক্রবার ডেনমার্ক জানিয়েছিল, এ ধরনের ‘রিটার্ন হাব’-এ আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত ব্যক্তিদের ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ পাঠানোর জন্য তারা প্রস্তুত থাকবে। অর্থাৎ, এটি বছরের শুরুতে নয়, বরং ২০২৭ সালের শেষ দিকে শুরু হতে পারে।
 
গত জুনে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট কঠোর অভিবাসন নীতির অনুমোদন দেয়। এর ফলে কর্তৃপক্ষের আটক করার ক্ষমতা বাড়ানো হয় এবং ইউরোপের বাইরে ‘রিটার্ন হাব’ স্থাপনের সুযোগ তৈরি হয়।তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই উদ্যোগের তীব্র সমালোচনা করেছে।এর আগে, যুক্তরাজ্য অবৈধ অভিবাসীদেরকে রুয়ান্ডায় পাঠানোর একটি পরিকল্পনা বাতিল করে। অন্যদিকে, ইতালির উদ্যোগে আলবেনিয়ায় অভিবাসীদের প্রক্রিয়াকরণের জন্য স্থাপিত কেন্দ্রগুলোও আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে এবং সেখানে প্রত্যাশার তুলনায় খুব কমসংখ্যক অভিবাসী পাঠানো হয়েছে।
দেশকন্ঠ/এআর

  মন্তব্য করুন
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা

ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।