• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩  নিউইয়র্ক সময়: ১৫:৫৪    ঢাকা সময়: ০১:৫৪

কোরআনের সুরাগুলোর নাম কে রেখেছেন

  • মতামত       
  • ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬       
  •       
  • ২৩:১৫:৩৯

দেশকন্ঠ   অনলাইন : কোরআন আল্লাহর কালাম। এর আয়াতগুলোর বিন্যাস ও সুরাগুলোর নামকরণ সবই আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওহির মাধ্যমে নামগুলো অবগত হয়ে তা সাহাবি ও উম্মতকে জানিয়ে দিতেন। জালালুদ্দিন সুয়ুতি (রহ.) বলেন, ‘কোরআন মজিদের আয়াতসমূহের বিন্যাস ও সুরাগুলোর নামকরণ সবই আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত।’ (আল ইতকান ১/১৪৮)
 
আল্লামা তাহির ইবন আশুর (রহ.) বলেন, সুরাগুলোর নাম ওহি নাজিলের সময় থেকেই নির্ধারিত। (আত তাহরির ওয়াত তানবির ১/৮৮) আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, উসমান (রা.) বলেছেন, যখন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর কোন আয়াত নাজিল হত, তখন তিনি ওহি-লেখক কাউকে ডেকে বলতেন, এই আয়াত অমুক সুরার মধ্যে অমুক স্থানে রাখো। তাঁর ওপর একটি কিংবা দুটি আয়াত অবতীর্ণ হলেও তিনি ঐরূপ বলতেন।
 
সুরা আনফাল প্রথম দিককার মাদানি সুরা এবং সুরা তাওবা শেষের দিককার মাদানি সুরা। দুটি সুরার বিষয়বস্তু প্রায় একই। সেজন্য সুরা দুটিকে আমি পাশাপাশি রেখেছি। সেজন্য আমি দুটি সুরার মাঝে বিসমিল্লাহ.. লিখিনি। (আবু দাউদ, হাদিস: ৭৮৬) এতে বুঝা যায় যে কোরআনের বিন্যাস আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত। জিবরিল (আ.) প্রতিবছর রমজানে মহানবী (সা.)-এর কাছে এসে কোরআন পাঠ করতেন এবং তাঁর মৃত্যুর বছরে দুই বার পাঠ করে শুনান। (বুখারি, হাদিস: ৪৯৯৭, ৪৯৯৮)
 
কিছু আলেমের মতে, কোরআনের কিছু সুরার নাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেখেছেন, আর কিছু সাহাবায়ে কেরামের ইজতিহাদে নির্ধারিত হয়েছে। ফাতাওয়া লাজনা দায়েমায় এভাবে এসেছে-আমরা এমন কোনো নির্ভরযোগ্য দলিল পাইনি যেখানে বলা হয়েছে যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব সুরার নাম রেখেছেন। তবে কিছু সহিহ হাদিসে কিছু সুরার নাম পাওয়া যায়: যেমন—আল-বাকারা, আলে ইমরান ইত্যাদি।অন্য সুরাগুলোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ধারণা হলো, সেগুলোর নাম সাহাবায়ে কেরাম রেখেছেন।’
দেশকন্ঠ/এআর

  মন্তব্য করুন
×

আমাদের কথা

ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।