• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩  নিউইয়র্ক সময়: ১৫:৩৫    ঢাকা সময়: ০১:৩৫

জুমার নামাজের কোনো রাকাত না পেলে কি চার রাকাত পড়তে হবে

  • মতামত       
  • ২২ অক্টোবর, ২০২৬       
  • ৯
  •       
  • ২২:৪১:২১

দেশকন্ঠ  অনলাইন : প্রশ্ন: কয়েক দিন আগে আমাদের মসজিদের ইমাম জুমার নামাজের মাসআলা বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, কেউ যদি ইমামের সঙ্গে জুমার নামাজের কোনো রাকাত না পান, তাহলে ইমামের সালাম ফেরানোর পর তাকে চার রাকাত নামাজ আদায় করতে হবে। এ নিয়ে আমাদের মধ্যে দ্বিধা তৈরি হয়েছে। জানতে চাই, ইমাম সাহেবের কথা কি সঠিক? জুমার নামাজের কোনো রাকাত না পেলে কি চার রাকাত আদায় করতে হবে?
 
উত্তর: কোনো ব্যক্তি জুমার নামাজে ইমামের সঙ্গে এক রাকাতও না পেলেও শেষ বৈঠকে শরিক হতে পারলে ইমামের সালাম ফেরানোর পর দাঁড়িয়ে দুই রাকাত নামাজ আদায় করবেন। চার রাকাত আদায় করবেন না। হানাফি মাজহাবের অধিকাংশ ফকিহ এ মত গ্রহণ করেছেন। এ বিষয়ে শুবা (রহ.) বলেন, سَأَلْتُ الْحَكَمَ وَحَمَّادًا عَنِ الرَّجُلِ يَجِيْءُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ قَبْلَ أَنْ يُّسَلِّمَ الإِمَامُ؟ قَالَا: يُصَلِّيْ رَكْعَتَيْنِ
 
অর্থ: আমি হাকাম ও হাম্মাদ (রহ.)-কে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, যিনি জুমার দিন ইমামের সালাম ফেরানোর আগে নামাজে শরিক হন। তারা উভয়ে বললেন, তিনি দুই রাকাত নামাজ আদায় করবেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, বর্ণনা ৫৩৯৮) উল্লেখ্য, এ বিষয়ে আরেকটি মতও রয়েছে। সে মত অনুযায়ী, জুমার নামাজের কোনো রাকাত না পেলে ইমামের সালাম ফেরানোর পর চার রাকাত আদায় করতে হবে। সম্ভবত আপনাদের ইমাম সাহেব এই মতটির কথাই বলেছেন।
 
তবে হানাফি মাজহাবের অধিকাংশ ফকিহ প্রথম মতটি গ্রহণ করেছেন। এ মতের ওপরই ফতোয়া দেওয়া হয় এবং আমাদের অঞ্চলেও সাধারণত এ অনুযায়ী আমল করা হয়ে থাকে। তাই এ বিষয়ে মাসআলা বর্ণনার সময় স্বীকৃত মত ও প্রচলিত আমলের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা উচিত, যাতে সাধারণ মুসল্লিদের মধ্যে অযথা বিভ্রান্তি তৈরি না হয়।
 
সূত্র: মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, বর্ণনা ৫৪০০; কিতাবুল আসল, ১/৩১৩; শরহু মুখতাসারিত তাহাবি (জাসসাস), ২/১১৮; আল-আসরার (দাবুসি), ২/৬৭; উমদাতুল ফাতাওয়া, পৃষ্ঠা ১০৬; ফাতহুল কাদির, ২/৩৬; রদ্দুল মুহতার, ২/১৫৭
দেশকন্ঠ/এআর
 

  মন্তব্য করুন
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা

ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।