• শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩  নিউইয়র্ক সময়: ২১:০৬    ঢাকা সময়: ০৭:০৬

পদ্ম ফুল ফুটুক ছাদবাগানেই

দেশকণ্ঠ অনলাইন : ছাদের বাগান আলো করে গোলাপি-সাদা রঙা পদ্ম ফুটলে, দেখতে ভাল লাগবেই। এক নজরে মনে হতেই পারে এ গাছ করা সহজ নয়। ঝক্কিও যথেষ্ট। একটু খাটাখাটনি শুরুতে হলেও, পদ্মের শিকড় এক বার পাঁকে ছড়িয়ে পড়লে অল্প পরিচর্যাতেই গাছ বড় হবে। ফুলও ফুটবে। এই বসন্তেই তোড়জোড় শুরু করে দিন। লাগবে একটি মাঝারি আকারের প্লাস্টিকের গামলা, এঁটেল মাটি, ভার্মি কম্পোস্ট এবং বীজ।
 
পদ্মের বীজ খুব শক্ত হয়, তাই এটি সরাসরি জলে দিলে অঙ্কুরিত হতে অনেক সময় নেয়। বীজের ভোঁতা দিক থাকে। সেই অংশ খসখসে স্থানে হালকা ঘষে নিলে ভিতর থেকে সাদা অংশ উঁকি দেবে। এই পর্যায়ে সেটি জলে ভেজান। প্রতি দিন জল বদলে ফেলতে হবে। বীজের পাত্রটি এমন জায়গায় রাখতে হবে যেখানে দিনভর হালকা রোদ পড়ে। ৪-৭ দিনের মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হবে। বীজ থেকে ধীরে ধীরে সবুজ অংশ বেরোলে এবং শিকড় গজালে তা প্রতিস্থাপনের ব্যবস্থা করতে হবে।
 
পদ্মের জন্য আদর্শ হল কাদামাটি। অন্তত ১২-১৪ ইঞ্চি চওড়া এবং ১০-১২ ইঞ্চি গভীর মুখখোলা প্লাস্টিকের গামলা নিন। তাতে কোনও ছিদ্র থাকা চলবে না।বাগানের সাধারণ মাটির সঙ্গে সম পরিমাণ পচানো গোবর সার বা ভার্মিকম্পোস্ট মিশিয়ে নিন। এঁটেল মাটি হলে পদ্ম ভাল হবে। এতে জল দিয়ে ১ সপ্তাহ ভিজিয়ে রাখুন। মাঝেমধ্যে হাত দিয়ে ঘেঁটে দিন। ধীরে ধীরে পদ্ম বেড়ে ওঠার উপযুক্ত পাঁকের মতো মাটি তৈরি হবে।
 
গামলার কাদামাটির ধারের অংশে ছোট একটি গর্ত করুন। অঙ্কুরিত বীজটি খুব সাবধানে সেখানে বসিয়ে দিন। খেয়াল রাখবেন যেন কচিপাতা বা ডগাটি মাটির বেশ কিছুটা উপরে থাকে। গামলায় ধীরে ধীরে অনেকটা জল ঢালতে হবে। জল এমন ভাবে দিতে হবে যাতে পাতা জলের উপর ভেসে থাকে।
 
গাছ বেড়ে ওঠার জন্য সূর্যালোকের প্রয়োজন। দিনে অন্তত ৫-৬ ঘণ্টা কড়া রোদ পায় এমন জায়গায় গামলাটি রাখুন। গামলার জল কমে গেলে নতুন জল দিন। যদি জল বেশি নোংরা হয়ে যায় বা শ্যাওলা পড়ে, তবে সাবধানে জল পরিষ্কার করতে হবে। গাছ বেড়ে ওঠার উপযোগী পরিবেশ পেলে এক থেকে দেড় মাসেই ফুল ফুটতে শুরু করবে। কুঁড়ি এলে গাছে সার প্রয়োগ করতে হবে। রাসায়নিক সার প্রয়োগ করলে সেটি পাঁকের ভিতরে দিতে হবে, জলে নয়। পোকা এবং জলে মশার লার্ভা হলে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।
 
 
 

  মন্তব্য করুন
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা

ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।