• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩  নিউইয়র্ক সময়: ০৫:৩৭    ঢাকা সময়: ১৫:৩৭

ঈশ্বরদী সরকারি কলেজে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ কার্যালয় ভাঙচুর

দেশকন্ঠ  অনলাইন  : পাবনার ঈশ্বরদী সরকারি কলেজে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা–কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে পৃথকভাবে দাবি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় কলেজ গেটের সামনে ছাত্রদলের একটি অস্থায়ী কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। 

কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সকাল থেকে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা–কর্মীরা কলেজ ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছিলেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কলেজের পার্শ্ববর্তী বকুল মোড় থেকে ছাত্রশিবির একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি কলেজের প্রধান ফটকে এলে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। একপর্যায়ে কলেজ ফটকের সামনে থাকা ছাত্রদলের অস্থায়ী কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে জড়ানো নেতা–কর্মীদের হাতে লাঠিসোঁটাসহ ধারালো অস্ত্রও দেখা যায়।

ছাত্রশিবিরের উপজেলা সভাপতি সজিব হাসান দাবি করেন, কলেজে তাদের পূর্বনির্ধারিত বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। এ জন্য তারা কলেজ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েছিলেন এবং পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতাও চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, দুপুর ১১টার দিকে শহরের বকুলের মোড় থেকে মিছিল নিয়ে কলেজ গেটের সামনে পৌঁছালে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বহিরাগতদের সাথে নিয়ে তাদের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। ছাত্রদলের কার্যালয় ভাঙচুরের বিষয়ে তিনি জানান, কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা নেই।

অন্যদিকে, ছাত্রদলের কলেজ শাখার সহ-সভাপতি ইমরান হোসেন খানের দাবি, কলেজে তাদের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছিলেন। হঠাৎ ১০০-১৫০ জন শিবির কর্মী বহিরাগতদের সাথে নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে হামলা চালায়। এ সময় তারা মারধর করে এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। পাশাপাশি ছাত্রদলের অস্থায়ী কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়।

ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশাদূর রহমান জানান, চট্রগ্রামের ঘটনায় শিবির কর্মসূচির ডাক দেয়। তার অংশ হিসেবে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কলেজ গেটে পৌঁছালে ক্যাম্পাসে থাকা ছাত্রদল কর্মীরা এগিয়ে আসে। এসময় উভয় দলের মধ্যে ইট - পাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। তবে উভয় পক্ষই ক্যাম্পাস ত্যাগ করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক আমজাদ হোসেন জানান, ছাত্র শিবির ও ছাত্রদল তাদের কর্মসূচি পালনের অনুমতি নিয়েছিল। উদ্ভুত পরিস্থিতির বিষয় শুনেছি। তবে কলেজ ক্যাম্পাসে কোনো অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটেনি। উভয় সংগঠনকে জানানো হয়েছে কলেজে শান্তিপূর্ণ সহবস্থানের জন্যে অচিরেই বৈঠক করা হবে।
দেশকন্ঠ/এআর

  মন্তব্য করুন
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা

ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।