• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩  নিউইয়র্ক সময়: ১৪:৪৩    ঢাকা সময়: ০০:৪৩

‘অফিস চকলেট ডে’: সহকর্মীদের সঙ্গে মিষ্টি মুহূর্ত ভাগাভাগি করে নেয়ার দিন আজ

দেশকন্ঠ  অনলাইন : পরিবার কিংবা বন্ধুদের বাইরে দিনের সবচেয়ে বেশি সময় যাদের সঙ্গে কাটানো হয়, তারা হলেন সহকর্মী। প্রতিদিনের ফাইলের স্তূপ আর ডেডলাইনের মানসিক চাপ দূর করতে কাজের ফাঁকে সহকর্মীর সঙ্গে এক কাপ চা কিংবা কফি মুহূর্তেই মনটা চাঙ্গা করে দেয়। এই পেশাদার সম্পর্কটাকে আরও মধুর ও প্রাণবন্ত করে তোলার দিন আজ- ‘অফিস চকলেট ডে’ বা সহকর্মীকে চকলেট উপহার দেয়ার দিন।
 
সহকর্মীদের সঙ্গে পেশাদার গণ্ডির বাইরেও একটি সুন্দর ও আন্তরিক সম্পর্ক তৈরি করার সুযোগ এনে দেয় দিবসটি। কর্মক্ষেত্রে এটি ইতিবাচক শক্তি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়াতেও ভূমিকা রাখে। বিজ্ঞানও বলে, ডার্ক চকলেট স্ট্রেস হরমোন কমাতে সাহায্য করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে মন ভালো করতে কার্যকরী। অফিসে কাজের চাপ, বসের তাড়া, ইনবক্সভর্তি ই-মেইল আর একের পর এক বৈঠক- সব মিলিয়ে অনেক সময় কর্মজীবন হয়ে ওঠে একঘেয়ে। এমন সময়ে সহকর্মীর দেওয়া ছোট্ট একটি চকলেটও মুখে হাসি ফোটাতে পারে। একইসঙ্গে এটি সহকর্মীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিকতা প্রকাশের সহজ মাধ্যম হতে পারে।
 
বিভিন্ন অনলাইন দিবসপঞ্জি সূত্রে জানা যায়, প্রতি বছর ২০ অক্টোবর দিনটি 'অফিস চকলেট ডে' হিসেবে উদযাপিত হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সংস্থা দিবসটির ঘোষণা না দিলেও কর্মক্ষেত্রের একঘেয়েমি কাটাতে ও ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করতে বিশ্বব্যাপী এটি বেশ জনপ্রিয়। দিবসটি উদযাপনের জন্য বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন নেই। সহকর্মীদের জন্য এক বাক্স চকলেট, কয়েকটি মাফিন কিংবা একটি কেক নিয়ে গেলেই তৈরি হতে পারে আনন্দঘন পরিবেশ। চাইলে দুপুরের বিরতিতে সবাই মিলে পছন্দের চকলেট ভাগাভাগি করে খাওয়া ও আড্ডার আয়োজনও করা যায়।
 
এছাড়া সহকর্মীদের চকলেট পার্টির প্রস্তাব দিতে পারেন। দুপুরের বিরতিতে সবাই মিলে পছন্দের চকলেট নিয়ে আড্ডা দিতে পারেন। তাতে পার্টি হবে, আবার আড্ডাও হবে। চাইলে বেছে নিতে পারেন ডার্ক চকলেট, মিল্ক চকলেট। তবে চকোলেট খেতে খেতে কাজের কথা ভুলে গেলে চলবে না। না হলে টেবিলে ফাইল জমে স্তূপ হয়ে যাবে। দিনটির মূল বার্তা হলো, কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ব ও ব্যস্ততার পাশাপাশি আনন্দ, আন্তরিকতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতারও গুরুত্ব রয়েছে। কারণ, সব সমস্যার সমাধান চকলেটে না হলেও এক টুকরো চকলেট ব্যস্ত দিনের ক্লান্তি কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে। কাজের চাপ থাকুক, তবু সহকর্মীদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়া একটু আনন্দ দিনটিকে করে তুলতে পারে আরও মিষ্টি।
দেশকন্ঠ/এআর
 

  মন্তব্য করুন
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা

ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।