• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩  নিউইয়র্ক সময়: ০৪:৫৯    ঢাকা সময়: ১৪:৫৯

মলিন মুখে পচা ধান মন্ত্রীকে দেখালেন হাওরের কৃষক

দেশকন্ঠ  অনলাইন : ‘একটা ঘর নাই, বৃষ্টি হলে একটা মাথা দেওয়ার জায়গা নাই। আমাদের কষ্টে ফলানো ধান পানিতে নষ্ট হয়েছে গেছে’- কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদকে কাছে পেয়ে আক্ষেপের সুরে এমনটাই বলেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর মেদির হাওর এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক। এসময় পানিতে তলিয়ে নষ্ট হওয়া ধান হাতে নিয়ে মন্ত্রীর কাছে ছুটে আসেন আরও কয়েকজন।

শনিবার (৯ মে) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর মেদির হাওর এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পরিস্থিতি পরিদর্শনে গেলে এই দৃশ্য দেখা যায়।এসময় কৃষকদের আশ্বাস দিয়ে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, টানা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হাওরাঞ্চলের কৃষকদের পাশে সরকার  আছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য সরকারি সহযোগিতার তহবিল বাড়ানো হবে। ধান ফলাতে কৃষকদের অনেক কষ্ট করতে হয়। আমি নিজেও একজন কৃষক। আমার ধান এভাবে পানিতে পচে গেলে আমিও সেই কষ্ট বুঝতে পারতাম।

এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন, তাদের কষ্টের কথা শোনেন ও সরেজমিনে অবলোকন করেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন মন্ত্রী। এছাড়াও অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হাওরাঞ্চলের কৃষকদের সহায়তার আওতায় আনতে নির্ভুল তালিকা তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।হাওর পরিদর্শন শেষে বিকালে স্থানীয় শহীদ মিনার চত্বরে মন্ত্রী উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়নের নিহত কৃষক আহাদ মিয়ার পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী দেওয়া আর্থিক সহযোগিতার নগদ ২ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর ও ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক কৃষক পরিবারকে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন।

এদিকে, অনুকূল আবহাওয়া ও ভারী বৃষ্টিপাত না থাকায় মেদির হাওর ও আশপাশের জলাভূমিতে পানির স্তর কিছুটা কমেছে। তলিয়ে যাওয়া ধানক্ষেত ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। আবহাওয়ার উন্নতির কারণে কৃষকরা কাটা ধান শুকানোর সুযোগও পাচ্ছেন। তবে এখনো বিস্তীর্ণ কৃষিজমি পানির নিচে থাকায় ব্যাপক ফসলহানির আশঙ্কা রয়েছে।
দেশকন্ঠ/এআর

  মন্তব্য করুন
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা

ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।