• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩  নিউইয়র্ক সময়: ১৫:১৪    ঢাকা সময়: ০১:১৪

কার কাছ থেকে কত ঋণ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

দেশকন্ঠ  অনলাইন : ১৯ আগস্ট  অর্থমন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের মোট ঋণ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে গত বছরের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্রমবর্ধমান ঋণ বেশ কিছুদিন ধরেই একটি আসন্ন আর্থিক সংকট নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলছে। অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা করছেন যে, বিপুল পরিমাণ ঋণ গ্রহণ, বর্ধিত ব্যয় এবং কম করের এক মারাত্মক সংমিশ্রণ বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতিকে সংকটে ফেলতে পারে।
 
অর্থ দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশীয় ও বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে নেওয়া সরকারি ঋণ যুক্তরাষ্ট্রের মোট ঋণের ৮০ শতাংশ—প্রায় ৩২ ট্রিলিয়ন ডলার। পিটার জি পিটারসন ফাউন্ডেশনের বিশ্লেষণ অনুসারে, এই সরকারি ঋণের প্রায় ২১ ট্রিলিয়ন ডলার দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন ঋণদাতার কাছে পাওনা, যার মধ্যে রয়েছে ফেডারেল রিজার্ভ (৪ দশমিক ৫২৮ ট্রিলিয়ন ডলার), যা ফেডারেল সুদের হারকে প্রভাবিত করতে এবং অর্থ সরবরাহ পরিচালনা করতে ট্রেজারি সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয় করে।
 
অন্যান্য ঋণদাতাদের মধ্যে রয়েছে মিউচুয়াল ফান্ড (৫ দশমিক ১৯৫ ট্রিলিয়ন ডলার), পেনশন ফান্ড (১ দশমিক ১৩৫ ট্রিলিয়ন ডলার), রাজ্য ও স্থানীয় সরকার (১ দশমিক ৬৩৬ ট্রিলিয়ন ডলার), বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আমানতকারী প্রতিষ্ঠান (২ দশমিক ০৮৩ ট্রিলিয়ন ডলার) এবং অন্যান্য কর্পোরেট ও ব্যক্তিগত ঋণদাতা (৬ দশমিক ৬৬০ ট্রিলিয়ন ডলার)।
 
আন্তর্জাতিকভাবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বেশ কয়েকটি দেশ এবং বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে ঋণী। ১৯৭০ সালে, মোট বিদেশি ঋণদাতাদের কাছে মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ শতাংশ, কিন্তু ২০২৫ সাল নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩২ শতাংশে। এর অর্থ হলো, এই ঋণ মার্কিন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করতে সাহায্য করলেও দেশের আয়ের একটি বড় অংশ সুদ পরিশোধের আকারে বিদেশে চলে যাচ্ছে।
 
২০২৫ সাল নাগাদ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের ১ দশমিক ২০৩ ট্রিলিয়ন ডলার, যুক্তরাজ্যের ৮৮৯ বিলিয়ন ডলার, চীনের ৬৮৩ বিলিয়ন ডলার এবং  আরো ৩০টিরও বেশি অন্যান্য সংস্থার কাছ থেকে ঋণ নিয়েছিল।বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ক্রমবর্ধমান ঋণ যদি নিয়ন্ত্রণহীন থাকে, তবে তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অতি মুদ্রাস্ফীতি বা উচ্চ সুদের হারের মতো অর্থনৈতিক সংকট তৈরি করতে পারে। ঋণ যত বাড়তে থাকবে, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে বেসরকারি বিনিয়োগ কমে যাওয়ার ঝুঁকিও তত বাড়বে এবং এর ফলস্বরূপ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়ে যেতে পারে।
দেশকন্ঠ/এআর
 

  মন্তব্য করুন
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা

ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।