• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩  নিউইয়র্ক সময়: ১৭:২২    ঢাকা সময়: ০৩:২২

‘শক’ নিয়ে যে অনুভূতির কথা জানালেন পরিণীতি

  • বিনোদন       
  • ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬       
  • ৫
  •       
  • ০০:২৫:৫৯

 
দেশকন্ঠ  অনলাইন : ২৪ঘণ্টা অনলাইন : অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়ার প্রথম ওয়েব সিরিজ ‘শক’-এ উঠে এসেছে এক মায়ের গভীর যন্ত্রণা ও সন্তাহারানোর বেদনার গল্প। সিরিজটির শুটিংয়ের সময়ই অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর জানতে পারেন অভিনেত্রী। তবে পরিণীতির মতে, তখনও তিনি মা না হওয়ায় চরিত্রটির কঠিন আবেগগুলো সামলানো সম্ভব হয়েছিল।
 
‘শক’-এ পরিণীতিকে দেখা গেছে এমন এক মায়ের চরিত্রে, যার সদ্যোজাত কন্যা জন্মের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। এরপর মেয়েকে খুঁজতে বছরের পর বছর ছুটে বেড়াতে থাকেন তিনি। একসময় সেই অনুসন্ধান তাঁর জীবনে উদ্বেগ, সন্দেহ ও আবেশের জন্ম দেয়।
 
সিরিজটির শুটিং চলাকালীন ২০২৫ সালে নিজের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর পান পরিণীতি। তত দিনে শুটিংয়ের একটি বড় অংশ শেষ হয়ে গিয়েছিল। অভিনেত্রীর মতে, সেটিই তাঁর জন্য এক অর্থে স্বস্তির ছিল। কারণ, তখনও মাতৃত্বের বাস্তব অভিজ্ঞতা তাঁর হয়নি।
 
পরিণীতির ভাষ্য, এখন নিজের সন্তান হওয়ার পর ‘শক’-এর সেই চরিত্র ও দৃশ্যগুলোর কথা ভাবলে তাঁর কষ্ট আরও তীব্রভাবে অনুভূত হয়। তিনি মনে করেন, মা হওয়ার পর একই দৃশ্যে অভিনয় করতে হলে চরিত্রের আবেগ থেকে নিজেকে আলাদা রাখা তাঁর জন্য অনেক বেশি কঠিন হতো।
 
অভিনেত্রীর কথায়, ছেলে হওয়ার পর তিনি ওই চরিত্রে অভিনয় করতে গেলে হয়তো প্রতিটি দৃশ্যেই কেঁদে ফেলতেন। চরিত্রের সন্তানের জন্য মায়ের যে অসহায়ত্ব ও যন্ত্রণা, তা নিজের মাতৃত্বের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিশে যেত।
 
২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর মা হন পরিণীতি। এরপর মাতৃত্ব তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ও অনুভূতির জগতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। সন্তান হওয়ার পর বিভিন্ন চরিত্রে মায়ের আবেগকে এখন আগের চেয়ে আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারছেন অভিনেত্রী।
দেশকন্ঠ/এআর
 

  মন্তব্য করুন
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা

ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।