• বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩  নিউইয়র্ক সময়: ১৫:৪৬    ঢাকা সময়: ০১:৪৬

৯ গোলে বিধ্বস্ত আসিয়ান কাপ থেকে বাংলাদেশের বিদায়

  • ক্রীড়া       
  • ০১ অক্টোবর, ২০২৬       
  • ২
  •       
  • ০১:১১:৪৫

দেশকন্ঠ  অনলাইন : শেষ ভালো যার সব ভালা তার। কিন্তু ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের শেষটা হয়েছে ভয়ংকরভাবে, রীতিমতো দুঃস্বপ্নের মতো। ম্যাচের প্রথমার্ধেই লাল-সবুজের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবনকে ফাঁকি দিয়ে ৬ বার জালে বল জড়িয়েছে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। তবে স্বস্তির খবর ফরোয়ার্ড শাহরিয়ার ইমন এবং ফারহান আলী ওয়াহিদ বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল শোধ করতে সক্ষম হন। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ মুহূর্তে আরো ৩ গোল হজম করে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৯-২ গোলের বড় হার নিয়ে সাফের প্রস্তুতির মঞ্চ ফিফা আসিয়ান কাপ অভিযান শেষ করেছে থমাস ডুলির শিষ্যরা।
 
১ অক্টোবর জাকার্তার বুং কার্নো স্টেডিয়ামে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে আগের ম্যাচের একাদশ থেকে শেখ মোরসালিনকে বসিয়ে ফরোয়ার্ড লাইনে শাহরিয়ার ইমনকে খেলান ডুলি। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের ব্যবধানও বেশ বড়। মাঠের খেলায় শুরু থেকেই সেই পার্থক্যের ছাপ স্পষ্ট। ম্যাচের প্রথম বাঁশি থেকেই বলের দখল নিজেদের করে নিয়ে বাংলাদেশের রক্ষণে চাপ তৈরি করতে থাকে ইন্দোনেশিয়া।
 
১১ মিনিটেই প্রথমবার বাংলাদেশের জালে বল পাঠায় স্বাগতিকরা। মেহেদী হাসান শ্রাবণকে পরাস্ত করে এগিয়ে যায় ইন্দোনেশিয়া। ২০ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ইন্দোনেশিয়া। জটলার মধ্যে থেকে বল জালে জড়িয়ে দেন বেকার। ২৭ মিনিটে শমিত সোমকে তুলে সোহেল রানাকে মাঠে নামান কোচ থমাস ডুলি। কিন্তু বদলিতেও বাংলাদেশের রক্ষণে স্বস্তি ফেরেনি। বরং ইন্দোনেশিয়ার আক্রমণ আরো তীব্র হয়। ৩২ মিনিটে তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশের জালে বল পাঠায় স্বাগতিকরা। বিরতির আগেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরো শক্ত করে নেয় ইন্দোনেশিয়া।
 
তবে ৩৬ মিনিটে ম্যাচে কিছুটা স্বস্তি ফেরে বাংলাদেশ শিবিরে। সুকি ইতোফুসারের নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে বল জালে পাঠান শাহরিয়ার ইমন। ইমনের গোলে ম্যাচে ফেরার আশার আলো দেখেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেই উচ্ছ্বাস স্থায়ী হয়নি এক মিনিটও। ৩৭ মিনিটেই চতুর্থ গোল হজম করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এরপরও আক্রমণের গতি কমায়নি ইন্দোনেশিয়া।
 
৪২ মিনিটে আসে পঞ্চম গোল। বিরতির ঠিক আগে, ৪৫ মিনিটে ষষ্ঠবারের মতো বাংলাদেশের জালে বল পাঠায় স্বাগতিকরা। যোগ করা সময়ে আরও একবার বাংলাদেশের রক্ষণ ভাঙার সুযোগ তৈরি করেছিল ইন্দোনেশিয়া। তবে এবার শেষ মুহূর্তে দুর্দান্ত সেভে দলকে রক্ষা করেন মেহেদী হাসান শ্রাবণ।
 
৬-১ গোলে পিছিয়ে বিরতিতে যাওয়া বাংলাদেশ দল ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে ভাল খেলতে থাকে। এজন্য ভক্তরা একটু স্বস্তি পেতেই পারে। বিরতির পর দুই পরিবর্তন বাংলাদেশ শিবিরে।শুকির জায়গায় ফারহান আলী ওয়াহিদ এবং ইমনের জায়গায় মাঠে নামেন মিনহাজ। মিনিট পনের গোলশূন্য অবস্থায় এগিয়ে যায় খেলা। ৮৪ মিনিটে অফসাইডে ইন্দোনেশিয়ার গোল বাতিল হয়।
 
দ্বিতীয়ার্ধে লুক বেকারির গোলে ৭ নম্বর গোল পূর্ণ করে ইন্দোনেশিয়া। ম্যাচেও ছড়াই উত্তেজনা। দুদলের খেলোয়াড়রা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। পরে রেফারি কোন রকম পরিস্থিতি সামাল দেন। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে সাবস্টিটিউট ফারহান আলী ওয়াহিদ এক গোল শোধ দেন। কিন্তু এক মিনিটের মধ্যে আরও দুটি গোল হজম করে বসে বাংলাদেশ। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে কেভিন ডিকস এবং সপ্তম মিনিটে লি বেকার গোল করেন। সেইসাথে ৯ গোলের বড় জয় নিয়ে আসিয়ান কাপের ফাইনালে পা দেয় স্বাগতিকরা।
দেশকন্ঠ/এআর
 

  মন্তব্য করুন
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা

ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।