• সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩  নিউইয়র্ক সময়: ০০:১৬    ঢাকা সময়: ১০:১৬

অবশেষে জামিন পেলেন নাবালক তিন সন্তানের সেই মা


দেশকন্ঠ  অনলাইন : অবশেষে জামিন পেলেন নওগাঁর কারাগারে বন্দি নাবালক তিন সন্তানের মা আঁখি খাতুন।বুধবার (১৩ মে) বিকেল ৪টার দিকে তিনি জামিন পান। মাদক মামলায় ভ্রাম্যমাণ আলাদাতের আদেশে গত ১৫ দিন ধরে নওগাঁর জেলা কারাগারে বন্দি ছিলেন তিনি।গত মার্চ মাসে মারা যান বাবা। একমাত্র আশ্রয় মাও জেলে। আর জেল গেটে এসে দিনের পর দিন দাঁড়িয়ে থাকে অসহায় শিশু সন্তানরা। সামান্য আইনি সহায়তা দেওয়ার কেউ ছিল না অসহায় তিন প্রতিবন্ধী সন্তানের মায়ের। এমন সংবাদ প্রচারিত হয় একটি বেসরকারি টেলিভিশিনে। যা নজর এড়ায়নি প্রধানমন্ত্রীর। এরপর সাথে সাথেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ও অসহায় সেই নারীকে আইনি সহায়তা সহায়তা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে স্থানীয় বিএনপি নেতারা নামেন আইনি লড়াইয়ে। অবশেষে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় শেষে জামিন পান আঁখি খাতুন।জানা গেছে, গতকাল রাতে মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রবিউল আলম বুলেটকে নির্দেশ দেন আইনি সহায়তা দিয়ে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর জন্য। পরে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নাবালক তিন সন্তানের জননী অসহায় সেই আঁখি খাতুনে জামিনের ব্যবস্থা হয়। জামিনের পর আজই কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। মুক্তির পর তিনি তিন সন্তানকে বুকে জড়িয়ে নেন তিনি। অনেকটা আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন ।

দীর্ঘদিন পর সন্তানদের এভাবে বুকে জড়িয়ে নিয়ে তিনি যেন অন্যরকম এক শক্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। একইসঙ্গে তার সন্তানরাও প্রধানমন্ত্রীর এমন মানবিক উদ্যোগে যেন অন্ধকারে দিশা খুঁজে পেলেন।এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বর্তমান সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. শাহরিয়ার বলেন, “আমাকে জানানো হয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। ওই নারী যেন আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার ও প্রতিকার পান, সে বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে এবং অগ্রগতি জানানোসহ বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। এর পরপরই তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়।”

পরে বিষয়টি সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ রকনুজ্জামানের নজরে আনা হলে আদালত আসামিপক্ষকে আবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু জায়েদ মোহাম্মদ রফিকুল আলম রফিক আবেদন উপস্থাপন করেন।উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সন্তুষ্ট হয়ে ওই নারীকে জামিন মঞ্জুর করেন। তিনি বলেন, “ভদ্র মহিলা ইতোমধ্যে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি এখন আমাদের এখানেও উপস্থিত আছেন। আইন অনুযায়ী তিনি যে প্রতিকার পাওয়ার অধিকারী ছিলেন, সেটিই তিনি পেয়েছেন।”
দেশকন্ঠ/এআর

 

  মন্তব্য করুন
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা

ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।