• বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩  নিউইয়র্ক সময়: ১৬:২২    ঢাকা সময়: ০২:২২

৮ বছর পর অভিনয়ে প্রীতি জিনতা

  • বিনোদন       
  • ০৫ আগস্ট, ২০২৬       
  •       
  • ০০:৩৪:৩৭

দেশকন্ঠ  অনলাইন : দীর্ঘ আট বছর পর সিনেমায় ফিরছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা। প্রত্যাবর্তনের অভিজ্ঞতা, অভিনয় থেকে বিরতি ও নতুন সিনেমার শুটিংয়ের প্রথম দিনের স্মৃতি নিয়ে সম্প্রতি গণমাধ্যমের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। প্রীতি জানান, অভিনয় থেকে দূরে থাকলেও এই সময়টাকে তিনি কখনোই মিস করেননি। কারণ পুরো মনোযোগ ছিল পরিবার ও সন্তানদের ঘিরে। তার ভাষায়, ‘সত্যি বলতে আমি অভিনয়কে মিস করিনি। পরিবার নিয়ে দারুণ সময় কাটছিল। সন্তানদের বড় করে তোলা এবং ব্যক্তিগত জীবনে মন দেওয়াই ছিল আমার সবচেয়ে বড় আনন্দ। ক্যারিয়ারে যত অর্জনই থাকুক না কেন, মা হওয়াই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন।’
 
১৯৪৭ সালের দেশভাগের প্রেক্ষাপটে নির্মিত ‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’-এ একজন মুসলিম নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রীতি। সিনেমায় তার স্বামীর ভূমিকায় রয়েছেন সানি দেওল। গল্পে দেখা যাবে, দাঙ্গার সময় তারা নিজেদের লাহোরের বাড়িতে এক হিন্দু নারীকে আশ্রয় দেন। প্রীতির মতে, মা হওয়ার অভিজ্ঞতা তাকে চরিত্রটি বুঝতে সাহায্য করেছে। তিনি বলেন, ‘এ কারণেই সিনেমাটির সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করতে পেরেছি। এখন ২০২৬ সাল হলেও আমার কাছে পরিবারের গুরুত্ব সবার আগে। তাহলে ভাবুন, ১৯৪৭ সালে মানুষের কাছে পরিবারের মূল্য কতটা ছিল। সেই সময়ের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে চরিত্রটিকে বুঝতে পেরেছি।’
 
আট বছর পর ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানো সহজ ছিল না বলেও স্বীকার করেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, পরিচালক রাজকুমার সন্তোষী শুটিংয়ের প্রথম দিনে সিনেমার সবচেয়ে কঠিন আবেগঘন দৃশ্যটি ধারণ করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রীতি বলেন, ‘প্রথম দিন সবচেয়ে কঠিন দৃশ্যটি রেখে রাজকুমার সন্তোষী আমাকে যেন নির্যাতন করেছিলেন। আমি শুধু সানি দেওলের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। এতটা নার্ভাস ছিলাম যে কাঁপছিলাম—এখন কী করব বুঝতে পারছিলাম না। সেই সময় পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সহ-অভিনেতা সানি দেওল।’প্রীতি জানান, পুরো রাত শুটিং চলেছিল। লুক টেস্টের পরদিন দু- একবার সংলাপ পড়ে তারা ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান। এরপর ধীরে ধীরে সবকিছু সহজ হয়।
দেশকন্ঠ/এআর
 
 
 

  মন্তব্য করুন
আরও সংবাদ
×

আমাদের কথা

ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।