দেশকন্ঠ অনলাইন : তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে শ্রীলংকার কাছে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ নারী দল। আজ তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলংকার কাছে ৩ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে যথাক্রমে ২৫ ও ২১ রানে হেরেছিল টাইগ্রেসরা। ফলে প্রথমবারের মত টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলংকার কাছে হোয়াইটওয়াশ হল বাংলাদেশ।
শনিবার ম্যাচ শুরুর আগে বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশ-শ্রীলংকার মধ্যকার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি ৯ ওভারে নির্ধারিত হয়। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে শ্রীলংকাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় বাংলাদেশ।
২১ বলে ৪৩ রানের সূচনা করে শ্রীলংকা। ১০ বলে ১৯ রান করা লংকান ওপেনার ইমেশা দুলানিকে সাজঘরে পাঠিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম উইকেট উপহার দেন অফ-স্পিনার সুলতানা খাতুন।
এরপর সুলতানার ঘূর্ণিতে পড়ে ৫৩ রানে ৪ উইকেট হারায় শ্রীলংকা। কিন্তু ওপেনার ও অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তুর ২৭ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় গড়া ৪১ রানের সুবাদে ৯ ওভারে ৬ উইকেটে ৮৭ রান তুলে শ্রীলংকা। সুলতানা ২ ওভারে ৮ রানে ৩ উইকেট নেন। এছাড়া সানজিদা আক্তার মেঘলা ১ উইকেট শিকার করেন।
জবাবে ১৩ রানে প্রথম উইকেট পতনের পর ২০ বলে ৩০ রান যোগ করেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ও সোবহানা মোস্তারি। উইকেটে সেট হয়ে দলীয় ৫৬ রানের মধ্যে বিদায় নেন তারা। জুয়াইরিয়া ১১ বলে ১৫ এবং সোবহানা ১৫ বলে ২১ রান করেন। তাদের বিদায়ের সময় ২০ বলে ৩২ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের।
অষ্টম ওভারে স্বর্ণা আক্তার ৪ ও রিতু মনি ৩ রানে আউট হলে শেষ ওভারে ১৪ রান দরকার পড়ে বাংলাদেশের।
শেষ ওভারের প্রথম বলে সাজঘরে ফিরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা। ১টি ছক্কায় ৯ বলে ১৩ রান করেন তিনি। পরের দুই বল থেকে ৪ রান তুলেন সুলতানা। চতুর্থ বলে চার মেরে শেষ দুই ডেলিভারিতে জয়ের জন্য ৬ রানের সমীকরণ পায় বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ দুই বলে ২ রানের বেশি তুলতে পারেননি সুলতানা ও শারমিন।
ফলে ৯ ওভারে ৬ উইকেটে ৮৪ রান করে ম্যাচ হারে বাংলাদেশ। সুগানদিকা কুমারি ও আতাপাত্তু ২টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ ও সিরিজ সেরা হন আতাপাত্তু।টি-টোয়েন্টির আগে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ নারী দল।
দেশকন্ঠ/এআর

আমাদের কথা
ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী অনলাইন মিডিয়া। গতি ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মানুষও তথ্যানুসন্ধানে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছে অনলাইন। যতই দিন যাচ্ছে, অনলাইন মিডিয়ার সঙ্গে মানুষের সর্ম্পক তত নিবিড় হচ্ছে। দেশ, রাষ্ট্র, সীমান্ত, স্থল-জল, আকাশপথ ছাড়িয়ে যেকোনো স্থান থেকে ‘অনলাইন মিডিয়া’ এখন আর আলাদা কিছু নয়। পৃথিবীর যে প্রান্তে যাই ঘটুক, তা আর অজানা থাকছে না। বলা যায় অনলাইন নেটওয়ার্ক এক অবিচ্ছিন্ন মিডিয়া ভুবন গড়ে তুলে এগিয়ে নিচ্ছে মানব সভ্যতার জয়যাত্রাকে। আমরা সেই পথের সারথি হতে চাই। ‘দেশকণ্ঠ’ সংবাদ পরিবেশনে পেশাদারিত্বকে সমধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বদ্ধপরির। আমাদের সংবাদের প্রধান ফোকাস পয়েন্ট সারাবিশ্বের বাঙালির যাপিত জীবনের চালচিত্র। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের সংবাদও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একঝাক ঋদ্ধ মিডিয়া প্রতিনিধি যুক্ত থাকছি দেশকণ্ঠের সঙ্গে।